সংবাদ শিরোনাম :
কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শয্যা সংকট। নেত্রকোনায় ৮৫ লাখ টাকার টয়লেট উদ্বোধনের আগেই ভেঙ্গে পড়ছে। নেত্রকোনার কৃতি সন্তান মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান বর্তমানে চুয়াডাঙ্গা জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ভবনের নির্মাণ কাজের ধীরগতির কারণে কারিগরি ও বাণিজ্যিক কলেজগুলোর শিক্ষা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের উদ্যোগে কলমাকান্দা বাজারে ৩২টি সিসি ক্যামেরার উদ্বোধন ‎কলমাকান্দা সদর পাতিমঞ্জিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বিভিন্ন অনিয়ম, দূর্নীতির অভিযোগ প্রধান শিক্ষকে বিরুদ্ধে। সরকারি হালটের গাছ কাটা অনিয়ম, দুর্নীতি ও সাধারণ মানুষকে হয়রানি অভিযোগ ববি নামে সরকারি কর্মকর্তা বিরুদ্ধে মালিকানা জমি দখলের চেষ্টায় প্রভাবশালীদের বেপরোয়া তাণ্ডব ঢাল হিসেবে নারী আদালতে মামলা। মালিকানা জমি দখলের চেষ্টায় প্রভাবশালীদের বেপরোয়া তাণ্ডব ঢাল হিসেবে নারী। কলমাকান্দায় মজিবুর মাস্টারের অর্থ আত্মসাতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলাঃ উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় দ্রুত পদক্ষেপের দাবি স্থানীয়দের
‎কলমাকান্দা সদর পাতিমঞ্জিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বিভিন্ন অনিয়ম, দূর্নীতির অভিযোগ প্রধান শিক্ষকে বিরুদ্ধে।

‎কলমাকান্দা সদর পাতিমঞ্জিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বিভিন্ন অনিয়ম, দূর্নীতির অভিযোগ প্রধান শিক্ষকে বিরুদ্ধে।

‎কলমাকান্দা সদর পাতিমঞ্জিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বিভিন্ন অনিয়ম, দূর্নীতির অভিযোগ প্রধান শিক্ষকে বিরুদ্ধে।

‎কাগজে কলমে ছাত্র-ছাত্রী ১৫০,বাস্তবে উপস্থিতি মাত্র কয়েকজন।
‎স্থানীয়দের দাবি,বেতন নিলেও শিক্ষকদের নিয়মিত অনুপস্থিতি

‎নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি
মোঃ কামরুল হাসান।

‎নেত্রকোনার কলমাকান্দা সদর উপজেলার ইউনিয়নের পাতিমঞ্জিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আজ কার্যত শিক্ষার্থীশূন্য অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে।সাম্প্রতিক সময়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের মনগড়া কমিটিকে কেন্দ্র করে স্থানীয় নুর মিয়া নামের এক ব্যক্তি পাতিমঞ্জিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনিয়ম দুর্নীতি নিয়ে উপজেলার নির্বাহী অফিসার বরাবর প্রধান শিক্ষক আছির উদ্দিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায় করেছেন। অভিযোগে, তিনি উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষকদের নিয়মিত অনুপস্থিতি, দায়িত্বহীনতা এবং পাঠদানে অনীহাই বিদ্যালয়টিকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছে।
‎ এই বিদ্যালয়ে কাগজে-কলমে শিক্ষার্থী ১৫০ জন, শিক্ষক ৫ জন। কিন্তু বাস্তবে চিত্র ঠিক উল্টো, শ্রেণিকক্ষে থাকে মাত্র তিন চারজন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে কোন শ্রেণিতে কোনো শিক্ষার্থীই নেই।
অভিযোগের ভিত্তিতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পাচঁ শিক্ষকের মধ্যে ৪ জন উপস্থিত ছিলেন, আর একজন শিক্ষিকা প্রশিক্ষণে । তবে শিক্ষার্থী উপস্থিতি ছিল প্রায় শূন্যের মতো।

‎স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বছরের পর বছর শিক্ষকরা শুধু হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করে বেতন-ভাতা নিয়েছেন, কিন্তু নিয়মিত ক্লাস নেননি। অনিয়মিত পাঠদান আর অবহেলার কারণে অভিভাবকরা বাধ্য হয়ে সন্তানদের অন্য স্কুল ও মাদরাসায় ভর্তি করিয়েছেন। তাদের ভাষায়, “স্কুলে শিক্ষক থাকলে ছাত্রও থাকত।”
‎প্রধান শিক্ষক আছির উদ্দিনের আচরণ ও তেমন একটা ভালো না।
কমিটির কথা বলে রাতের আঁধারে স্বজন প্রীতির মাধ্যমে কাউকে না জানিয়ে কমিটি করা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে প্রধান শিক্ষক আছির উদ্দিনের দিকে।

‎অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর পরিস্থিতি কিছুটা বদলানোর চেষ্টা করছেন তারা। তার দাবি, অভিভাবকদের অনাগ্রহই বড় সমস্যা। তিনি জানান, “আমরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে অভিভাবকদের ডেকেছি, চেষ্টা করছি শিক্ষার্থী বাড়াতে।”

‎কিন্তু স্থানীয়রা বলছেন, বিদ্যালয়ের এই সংকট নতুন নয়। বছরের পর বছর শিক্ষকরা নিয়ম অনুযায়ী স্কুলে উপস্থিত না থাকায় এবং পাঠদান না করায় আজ এই দুরবস্থা তৈরি হয়েছে।

‎অভিভাবকদের দাবি, দ্রুত তদন্ত করে দায়িত্বহীন শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে বিদ্যালয়টি পুরোপুরি অচল হয়ে যাবে।

Facebook Comments Box





© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ দেনিক জনতার বার্তা